The website is under development

Zubair Chowdhury

http://www.zubairchowdhury.ca/

Grandparents are a family’s greatest treasure, the founders of a loving legacy, the greatest storytellers, and the keepers of traditions that linger on in cherished memory. 


Grandparents are the family’s strong foundation. Their very special love sets them apart through their happiness and sorrow, through their special love and care, grandparents keep a family close to heart. If I could choose a grandfather for my children from all the granddads in the world, there’s no doubt I would have
still chosen you! (My Grandfather).


I think of him as living in the hearts of those he touched, for nothing loved is ever lost and he was loved so much, I believe. I know nowadays some people don’t believe in heroes but they haven’t met my grandfather; a hero of his time.


Khan Bahadur Badi Ahmad Chowdhury is no more on this earth, yet his sweet memories will remain fresh in the minds of the people only for the sake of his humanitarian works. Every year on 13th April his death anniversary is observed here in a befitting manner. For me, I feel momentarily fortunate to remember my
grandfather’s birthday 23rd March, as my birthday is 22nd of March; while all his other descendants remind him of his death anniversary.


My grandfather inherited all the qualities of his pious parents. As a religious man, he had a high Islamic ideology and precepts in life. He was a regular in performing prayer 5 times a day and fasting the two main compulsory religious rituals of Islam; so, his descendants followed in his footsteps. Know that, when you achieve success, your grandfather is happier than your own father. Being a grandson of such a noble individual is one of the best feelings I ever had.


To archive and cherish our family legacy, I have created this family website in 2007 with the help of my cousin (another grandson) Sartaj Chowdhury lives in Chicago, Il, USA. It was ‘not so easy’ to make a family website the then time while nowadays anyone can create a website with their fingertips on their smartphone. Though most of the contents of the website were limited to public, by renovating it, all of the content is now public since March 23, 2023 the birthday of my grandfather. 


In my lifetime, I closely observed and followed the footsteps of our fathers’ strong brotherly bonds. Immense examples they practically have created with proven evidence or records, when in relation, they disregarded individuality for overall family welfare and prosperity. This very day, we are standing up and enjoying a safe life owing to our fathers’ earlier struggle to uphold their bonding and pioneering it for their future generations, us. I sometimes shudder myself to think of those of their struggles with patience rejuvenating family honour. 


From my childhood I am seeing two brothers (my father – Ahmadul Islam Chowdhury & Meah Babu – Mahmudul Islam Chowdhury) are ‘one’ like. People envied their relationship. I wondered too. They both dealt with their talents and confidence as they choose to embark our family tradition to an unrivalled existence. They had extended their father’s reported record of glorious social services I was associated with. I am missing way too much of those days! Time passes quickly and they are getting older and sometimes struggle with their health. We pray for them, take care of them, share moments with them. I thought of creating this website to share such of our stories and moments that we have scattered. 


The website is almost ready now. Any of descendants can contact me if they are interested to ad things from their own. Don’t hesitate please.


Our children need to learn about their father’s legacy history and be able to bond
themselves despite living in different countries around the globe and my time,
and work will be worthwhile. Thank you!


দাদাদাদিরা একটি পরিবারের সবচেয়ে বড় ধন, একটি প্রেমময় উত্তরাধিকারের প্রতিষ্ঠাতা, সর্বশ্রেষ্ঠ গল্পকার এবং ঐতিহ্যের রক্ষক যা লালিত স্মৃতিতে টিকে থাকে।


দাদাদাদি পরিবারের শক্ত ভিত্তি। তাদের বিশেষ ভালবাসা তাদের সুখ এবং দুঃখের মাধ্যমে অদ্বিতীয় করে। তাদের বিশেষ ভালবাসা এবং যত্নের মাধ্যমে, দাদাদাদিরা একটি পরিবারকে হৃদয়ের কাছাকাছি রাখে। আমি যদি বিশ্বের সমস্ত দাদাদের মধ্যে থেকে আমার সন্তানদের জন্য একজন দাদা বেছে নিতাম, তবে সন্দেহ নেই যে আমি এখনও আপনাকে বেছে নিতাম! (আমার দাদা).


আমি মনে করি যে তিনি যাদের সংস্পর্শে এসেছে তাদের হৃদয়ে বেঁচে আছেন, কারণ ভালোবাসার কিছুই কখনও হারিয়ে যায় না এবং আমি বিশ্বাস করি যে তিনি অনেক ভালোবাসা পেয়েছেন। আমি জানি আজকাল কিছু লোক নায়কদের বিশ্বাস করে না কিন্তু তাদের আমার দাদার সাথে দেখা হয়নি; তিনি তাঁর সময়ের একজন নায়ক।


খান বাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরী আর এই পৃথিবীতে নেই, তবুও তার মধুর স্মৃতি মানুষের মনে চিরসবুজ হয়ে থাকবে শুধুমাত্র তার মানবিক কাজের জন্য। প্রতি বছর ১৩ এপ্রিল তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী এখানে যথাযথভাবে পালন করা হয়। আমার জন্য, আমি ক্ষণিকের জন্য সৌভাগ্যবান বোধ করছি আমার দাদার জন্মদিন ২৩শে মার্চ, কারণ আমার জন্মদিন ২২শে মার্চ; যখন তার অন্যান্য বংশধররা তাকে তার মৃত্যুবার্ষিকীর কথা মনে করিয়ে দেয়।

আমার দাদা তার ধার্মিক পিতামাতার সমস্ত গুণ উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিলেন। একজন ধার্মিক মানুষ হিসেবে তার জীবনে উচ্চ ইসলামী আদর্শ আচারআচরণ ছিল। তিনি দিনে বার নামাজ আদায় করতেন এবং ইসলামের দুটি প্রধান বাধ্যতামূলক ধর্মীয় আচারঅনুষ্ঠানে রোজা রাখতেন; তাই, তার বংশধররা তার পদাঙ্ক অনুসরণ করেছিল। জেনে রাখুন, আপনি যখন সাফল্য পান, তখন আপনার পিতার চেয়ে আপনার দাদা বেশি খুশি হন। এইরকম একজন মহৎ ব্যক্তির নাতি হওয়াটা আমার সবচেয়ে ভালো অনুভূতিগুলোর একটি।


আমাদের পারিবারিক উত্তরাধিকার সংরক্ষণ লালন করার জন্য, আমি ২০০৭ সালে আমার চাচাতো ভাই (অন্য নাতি) সরতাজ চৌধুরী শিকাগো, ইল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করে এর সহায়তায় এই পারিবারিক ওয়েবসাইটটি তৈরি করেছি। তখনকার সময়ে একটি পারিবারিক ওয়েবসাইট তৈরি করাঅত সহজছিল না যখন আজকাল যে কেউ তাদের স্মার্টফোনে অতি সহজে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারে। যদিও ওয়েবসাইটের বেশিরভাগ বিষয়বস্তু জনসাধারণের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, এটি সংস্কার করে, আমার দাদার জন্মদিন ২৩ মার্চ, ২০২৩ থেকে ওয়েবসাইটের সমস্ত তথ্য এখন সর্বজনীন।


আমার জীবদ্দশায়, আমি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি এবং আমাদের পিতাদের দৃঢ় ভ্রাতৃবন্ধনের পদাঙ্ক অনুসরণ করেছি। অজস্র উদাহরণ এর মাধ্যমে তারা প্রকৃত প্রমাণ বা রেকর্ডের সাথে এই সম্পর্ক তৈরি করেছেন, ভ্রাতৃবন্ধনের থেকে তারা সামগ্রিক পারিবারিক কল্যাণ এবং সমৃদ্ধির জন্য ব্যক্তিবৈশিষ্ট্যকে উপেক্ষা করেছেন। আজ অবধি, আমরা দাঁড়িয়ে আছি এবং নিরাপদ জীবন উপভোগ করছি আমাদের পিতাদের আগেকার সংগ্রামের কারণে, তাদের বন্ধন বজায় রাখতে এবং তাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য, আমাদের জন্য অগ্রগামী করার পূর্বে সংগ্রামের কারণে। ধৈর্যের সাথে পারিবারিক সম্মান পুনরুজ্জীবিত করার জন্য তাদের সংগ্রামের কথা ভেবে আমি মাঝে মাঝে শিহরিত হই।


ছোটবেলা থেকেই দেখছি দুই ভাই (আমার বাবাআহমাদুল ইসলাম চৌধুরী মিয়া বাবুমাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী) একই ধরনের মানুষ। মানুষ তাদের সম্পর্ককে ঈর্ষা করত। আমিও অবাক হয়েছিলাম। তারা উভয়েই তাদের প্রতিভা এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে মোকাবিলা করেছে যেন তারা আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্যকে একটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী অস্তিত্বের স্থানে
নিয়ে যাওয়ার পথ
বেছে নিয়েছেন। তারা তাদের পিতার গৌরবময় সামাজিক সেবাসমূহ  বাড়িয়েছে যার সাথে আমি ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত ছিলাম। সেই দিনগুলো খুব মনে পড়ে! সময় দ্রুত চলে যায় এবং তারা বয়স্ক হয়েছেন এবং কখনও কখনও তাদের স্বাস্থ্যের সাথে লড়াই করেন। আমরা তাদের জন্য প্রার্থনা করি, তাদের যত্ন করি, তাদের সাথে সময় কাটাই । ছডিয়ে ছিটিয়ে থাকা আমাদের এই ধরনের গল্প এবং মুহূর্তগুলি সবাই মিলে উপভোগ করার
জন্য
আমি এই ওয়েবসাইটটি তৈরি করার কথা ভেবেছিলাম।


ওয়েবসাইটটি এখন প্রায় প্রস্তুত। বংশধরদের কেউ যদি তাদের নিজেদের থেকে কিছু যোগ করতে আগ্রহী হন তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। অনুগ্রহ করে দ্বিধা করবেন না।

 

আমাদের সন্তানদের তাদের পিতার উত্তরাধিকারের ইতিহাস সম্পর্কে শিখতে হবে এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছডিয়ে ছিটিয়ে থাকা সত্ত্বেও নিজেদের মধ্যে বন্ধন তৈরী  করতে সক্ষম হবে এবং এতেই আমার সময় ও কাজ সার্থক হবে। ধন্যবাদ!

Feel free to share your feelings or memories of Khan Bahadur Bari with us. Your contribution may enrich our website